প্রেরণাদায়ী (৪র্থ পর্ব)

1 year ago প্রেরণাদায়ী

এক ভদ্রলোক একটা হাতিশালের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। এমন সময় তিনি খেয়াল করলেন, হাতিগুলো খাঁচার ভিতরে বা শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা নেই। বরং এক পায়ে একটা ছোট্ট রশি দিয়ে হাতিগুলো বেঁধে রাখা হয়েছে।

লোকটা বেশ অবাক হল। কারণ, একটু চেষ্টা করলেই হাতিগুলো রশি ছিঁড়ে পালাতে পারত। কিন্তু তারা ছেঁড়া তো পরের বিষয়, সামান্য চেষ্টাও করছে না।

কৌতুহলী হয়ে সে হাতিগুলোর ট্রেইনারকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলেন। 

ট্রেইনার উত্তর দিলেন,”হাতিগুলো যখন খুব ছোট ছিল তখন এরকম ছোট সাইজের রশি দিয়েই আমরা ওদেরকে বেঁধে রাখতাম। ঐ সময়ে ওদেরকে বেঁধে রাখার জন্য এই রশি যথেষ্ট ছিল। ধীরে ধীরে ওরা বড় হল আর ওদের মনেও একটা ধারণা জন্মে গেল যে এই রশি ছেঁড়া সম্ভব না। ওরা এখনো মনে করে এই রশি ছেঁড়া সম্ভব না। তাই ওরা কখনো ছেঁড়ার চেষ্টাও করে না।"

হাতিগুলো মুক্ত হতে না পারার একমাত্র কারণ ছিল, ওদের মনে জন্ম নেয়া বদ্ধমূল ধারণা - এটা সম্ভব নয়।

সারকথা: এই দুনিয়া যতই তোমাকে পিছনে টেনে ধরুক না কেন, সবসময় মনে বিশ্বাস রাখতে হবে যে,”হ্যাঁ, আমি এটা পারবঁ।" কোন কাজে সফল হবার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হল বিশ্বাস করা - “হ্যাঁ, আমি সফল হতে পারব।"

বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রচলিত বিদেশি ভাষার গল্প থেকে গল্পটিকে অনুবাদ করেছি আমি। আর কপি-পেস্ট না করে শেয়ার করার অনুরোধ রইল। 

আগের পোস্ট পরের পোস্ট
মন্তব্য করুন
আপনি কি কমেন্ট গাইডলাইন পড়েছেন?

দয়া করে, বাংলায় গঠনমূলক মন্তব্য করুন এবং রোমান হরফে বাংলা লেখা থেকে বিরত থাকুন।