সাক্ষাৎকার : জোবায়ের আলম বিপুল

1 year, 9 months ago সাক্ষাৎকার

বিপুল ভাইয়ের সাথে আমার অনেক বছরের পরিচয়। একটা সময় তার কোম্পানি হোস্টমাইটের কাস্টমারও ছিলাম। আমাদের দেশের ওয়েব হোস্টিং মার্কেট বেশ নড়বড়ে, দুর্নামগ্রস্ত। বিপুল পরিমাণ চাহিদা থাকা স্বত্ত্বেও হাতেগোণা কয়েকটি কোম্পানি বাদে আর কোন কোম্পানিই তেমন লাভের মুখ দেখছে না। সেই হাতেগোণা কোম্পানি গুলোর ভিতর বিপুল ভাইয়ের হোস্টমাইট একটি। এই সাক্ষাৎকারে আমরা একজন উদ্যোক্তার উত্থান-পতনের কাহিনি শুনব। আর বিপুল ভাইয়ের কথা থেকে পাঠকরা বাস্তবিক অনুপ্রেরণা পাবেন বলেই আমার বিশ্বাস।

আমি: বিপুল ভাই, কেমন আছেন?

বিপুল ভাই: আলহামদুলিল্লাহ, ভাল আছি।

আমি: কি নিয়ে কাজ করছেন এখন?

বিপুল ভাই: এই তো, ওয়েব হোস্টিং।

আমি: আপনার কোম্পানি হোস্টমাইট, এটা আপনি শুরু করলেন কিভাবে? ব্যক্তিগতভাবে আমি জানি যে আপনি ইংরেজি সাহিত্যের ছাত্র। সেখান থেকে কিভাবে আপনি টেকনিকাল সাইডে আসলেন?

বিপুল ভাই: আসলে ইংরেজি সাহিত্যে অনার্সে ভর্তি হবার আগেই আমার বিজনেস শুরু হয়। তখন আমি কলেজ ছাত্র। টুকিটাকি মোবাইল ওয়েবসাইট নিয়ে কাজ করছিলাম। তখন দেখা যেত, মানুষজন নক করত – আমার ওয়েবসাইট দরকার; আমাকে একটা ডোমেইন-হোস্টিং কিনে দেন; এত টাকা বাজেট আমার; এত টাকা দিতে পারব আপনাকে। তো এরকম যখন কথাবার্তা হত মানুষজনের সাথে তখনি আমি ফীল করি যে আমি এই সার্ভিসটা ওপেন করতে পারি, আমি বিজনেস করতে পারি। আর ছোটবেলা থেকেই আমার প্লান ছিল যে আমি কিছু করব, আমি জবটব করব না। কারণ আমার মনে হত যে আমি নিজে কিছু করতে পারলেই সবচেয়ে বেটার হবে আমার জন্য এবং আমার ফ্রীডম থাকবে। অর্থাৎ আমার যেটা ভাল লাগে সেটাই আমি করব লাইফে। তো তখন প্রথমে ওয়ানআইটিবিডি ডট কম ডোমেইন নিয়ে ওয়েব হোস্টিং বিজনেস শুরু করি। এটা যখন আমি শুরু করি তখন বাকিতে নেই বলা চলে। কমিউনিটির এক ভাই আছে, থীমফরেস্টে থীম ডেভেলপার, সে তখন ওয়েবহোস্টিং বিজনেস করত। সে আমাকে একটা ডোমেইন-হোস্টিং একাউন্ট দেয় ফ্রীতে, আমার ওয়েবসাইট হোস্ট করার জন্য, আমি যে ডোমেইন-হোস্টিং সেল করি সেটা দেখানোর জন্য। ঠিক ফ্রীতে নয়, বাকিতে দেয়। আমি পরে ওনার টাকা দিয়ে দিই। তখন আমি বাহিরের একটা প্রোভাইডার হোস্টগেটর থেকে রিসেলারশীপ নিয়েছিলাম। তারপর থেকেই আমি ডোমেইন-হোস্টিং সেল করা শুরু করি। বলতে পারেন, উইদাউট ইনভেস্টমেন্ট।

আমি: তো মানুষের ঐ ডিমান্ড থেকেই আপনি আসলে ইন্সপায়ার হয়েছেন স্টার্ট-আপ লঞ্চ করার ব্যাপারে?

বিপুল ভাই: হ্যাঁ, কারণ আমি এটা ভাল জানি, ভাল বুঝি এবং এটা আমার ভাল লাগে করতে। তো আমার মনে হয়েছে এটাই আমার জন্য বেটার।

আমি: রিসেলারশীপ নেয়ার পর আপনার বিজনেসের অগ্রগতিটা কিভাবে হল? পথটা কেমন ছিল?

বিপুল ভাই: ঐ সময়টাতে আমার একটা মানি সাপোর্ট ছিল। শুরুতে যেমনটা বললাম আমি মোবাইল ওয়েবসাইট নিয়ে কাজ করতাম। ঐসব থেকে আমি ভাল টাকা আয় করতাম। মাসে দুইশ বা তিনশ ডলারের মত, ঐ সময়টায় কিন্তু আমি কলেজে পড়ি। সেই টাকাটা আমি রেখে দিতাম, আমার বিজনেস স্ট্যাবলিশ করার জন্য। তখনি আমার মাথায় ব্যাপারটা কাজ করত যে পরে আমার টাকা দরকার হবে। তো কিছু কিছু টাকা রাখতাম। এই টাকাগুলো দিয়ে আমি বিজনেস স্ট্যাবলিশ করার জন্য ট্রাই করি। যখন একটু ভাল এমাউন্ট হয় আমার কাছে তখন আমি ওয়ানআইটিবিডিটাকে হোস্টমাইট হিসেবে রিব্রান্ডিং করি ২০১১ সালে। কারণ আমি ওয়েব ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্টে এক্সপার্ট না। আমি শুধু ডোমেইন-হোস্টিং বিজনেসটাই জানি। যাহক, তখন যে টাকা ছিল তা দিয়েই হোস্টমাইটের ব্রান্ডিং করতে কাজে লাগাতাম – বিভিন্ন জায়গায় অ্যাডভার্টাইজমেন্ট, মার্কেটিং, প্রোমোটিং যেভাবে করা যায় আর কি। তারপরে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। এক বছরের ভিতরেই আমি রাজুক নিকুঞ্জের এখানে অফিস নিয়েছি। 

আমি: রিসেলারশীপ থেকে কিভাবে নিজের সার্ভার  মুভ করলেন?

বিপুল ভাই: একসময় আমার হিউজ ক্লায়েন্ট হয়ে গেল, বেশ ভাল রেসপন্স পাচ্ছিলাম। রিসেলার সার্ভারে রাখতে পারছিলাম না। মানে আমি যতটা না আশা করছিলাম, তার থেকেও বেশি আশা করছিলাম। তো তখন আমাকে অবশ্যই নিজের সার্ভার রেন্ট নিতে হল। 

আমি: আপনার সার্ভারগুলো কি সেল্ফ ম্যানেজড নাকি যে কোম্পানি থেকে কিনতেন তারাই ম্যানেজ করত?

বিপুল ভাই: হোস্টমাইট সবসময় ম্যানেজড সার্ভিস অফার করে। শেয়ার্ড বলেন, ডেডিকেটেড সার্ভার বলেন, ভিপিএস বলেন – এখন পর্যন্ত আমরা সবকিছুই ম্যানেজড সার্ভিস অফার করি। তাই আমরা যখন সার্ভিস কিনি, তখন মোস্ট অব দ্যা টাইম ম্যানেজড সার্ভিসই প্রিফার করি। তাছাড়া আমাদের নিজেদের টেকনিশিয়ান রাখা আছে, তারা ম্যানেজ করে।

আমি: হোস্টমাইট নিয়ে আপনার ভবিষ্যত পরিকল্পনা কি?

বিপুল ভাই: বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের বাহিরের ওয়েব হোস্টিং মার্কেটে কাজ করা। আমি চাই, একটা সময় বাংলাদেশকে রিপ্রেজেন্ট করতে। আপনি যদি ওয়ার্ল্ড-ওয়াইড হোস্টিং ইন্ডাস্ট্রির দিকে তাকান, তাহলে দেখবেন সার্ভিস ভাল দিক বা খারাপ দিক সবাই কিন্তু গোড্যাডি, হোস্টগেটরকে রেপুটেড কোম্পানি হিসেবে চেনে। আমি চাই ইন্টারন্যাশনালি হোস্টমাইটও মানুষ এভাবে চিনুক। 

আমি: আমরা তো জানি যে বাংলাদেশে হোস্টিং বিজনেস করতে যাওয়া সো টাফ। কারণ আপনাদের সবসময় কমন পিপলের সাথে কাজ করতে হয়। আচ্ছা, কখনো কি আপনার সাথে এমন কোন ঘটনা ঘটেছে যার কারণে আপনার মনে হয়েছে যে এই বিজনেসটা ছেড়ে দেয়া উচিত?

বিপুল ভাই: বিজনেসটা ছেড়ে দিতে হবে এরকম কখন‌ো আমার মনে হয়নি, কারণ আমি এটাকে ভালবাসি। অনেক সময় ক্লায়েন্টের সাথে মিস-আন্ডারস্টান্ডিংয়ের কারণে হ্যারাসমেন্টের শিকার হতে হয়, কথা শুনতে হয় বা র‍্যান্ডমলি ফোন পিক করতে হয়। বিভিন্ন সময় স্লাং ওয়ার্ডও শুনতে হয় যেটা খারাপ শোনায়। তবে এখন আমরা অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছি বলা যায়। কারণ আমি যেটা ফীল করি - ক্লায়েন্টরা আসলে বুঝে-শুনে এগুলো করে না। 

আমি: আপনাদের এমন অনেক ক্লায়েন্ট রয়েছে; ধরুন দোষটা হয়ত তাদের, আপনাদের হয়ত কোন দোষ নেই; আপনাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করছে বা রিউমার ছড়াচ্ছে - কোন প্রকার নো‌টিশ ছাড়াই আপনারা তাদের একাউন্ট সাসপেন্ড/টার্মিনেট করেছেন। এই জিনিসগুলো কিভাবে আপনি হ্যান্ডেল করে থাকেন?

বিপুল ভাই: এই ব্যাপারটা নিয়ে ভালমত কথা বলার আছে। এই অভিযোগটা সব হোস্টিং প্রোভাইডারের বিরুদ্ধেই দেয়া হয়। মূলত বিগিনার ক্লায়েন্টরা এই কমপ্লেইনগুলো করেন। অ্যাডভান্সড ক্লায়েন্টা কখনো এরকম কিছু করেন না। অনেক সময় দেখা যায়, ক্লায়েন্টরা ফিশিং সাইট হোস্ট করে, কপিরাইট ম্যাটেরিয়াল বা নালড টেমপ্লেট ডিসট্রিবিউট করে - এগুলো কিন্তু ক্রাইম। আরেকজনের সম্পদ বিনা অনুমতিতে সে ডিস্ট্রিবিউট করছে। আপনি একটা বই লিখেছেন, সেটা যদি পিডিএফ বানিয়ে আমি এখন ওয়েবে ছেড়ে দিই, ব্যাপারটা কিরকম দেখায় না? এটার কিন্তু কোন অধিকার আমার নেই। আপনি চাইলে আমার বিরুদ্দে লিগাল অ্যাকশন নিতে পারবেন। ঠিক সেইম কাজটাই ওনারা করেন। ধরুন, একজন একটা থীম তৈরি করেছেন ওনারা সেটা ডিস্ট্রিবিউট করছেন। অনেক সময় ক্লায়েন্ট তাদের ওয়েবসাইটগুলো আপ-টু-ডেট রাখেন না, এজন্য কোন হ্যাকার বা স্প্যামার ম্যালওয়ার ছড়ায় ওনাদের ওয়েবসাইটে। ফিশিং কন্টেন্ট, ডিএমসিএ নোটিশ, কপিরাইট ইস্যু, ম্যালওয়ার এগুলো পাওয়া গেলেই আমরা ক্লায়েন্টকে নোটিফাই করি। এখন আমরা ক্লায়েন্টের একাউন্ট ডিজ্যাবলও করি না। আমরা এইচটিটিপি ডিজ্যাবল করে দিই, ক্লায়েন্ট ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করতে পারে না। আরেকটা রিজন হল সাসপেন্ডের সেটা হল পেমেন্ট ওভার-ডিউ। বাংলাদেশের ম্যাক্সিমাম ক্লায়েন্ট আমাদের টাকা-পয়সা ঠিক টাইমে দেয় না। ওয়েবসাইট সাসপেন্ড হবার পর তারা খোঁজ নেয় কেন সাসপেন্ড হল। আসলে ঠিকমত পেমেন্ট না দিলে আমাদের সিস্টেম থেকে সাইট অটোমেটিকালি সাসপেন্ড হয়ে যায়। 

আমি: নোটিশের কথা আপনি যেটা বললেন, সেটা তো ইমেইলের মাধ্যমে করা হয়। কিন্তু আমরা যারা আপনাদের ক্লায়েন্ট, আমরা কিন্তু বেশিরভাগই ইমেইল চেক করি না। এর কারণে কি আপনাকে হ্যারাজমেন্টের ভিতরে পড়তে হয়?

বিপুল ভাই: অবশ্যই হ্যারাজমেন্টের ভিতর পড়তে হয়। হ্যারাজমেন্ট মীনস, কেন ক্লায়েন্টকে ফোন করা হল না? আসলে আমরা যেভাবে সার্ভিস অফার করি তাতে আমরা কখনোই ক্লায়েন্টকে ফোন করে বলতে পারি না যে কালকে আপনার সার্ভিস সাসপেন্ড হয়ে যাবে বা ম্যালওয়ার পাওয়া গেছে ইত্যাদি। বিলিং ইস্যুতে হয়ত বেশি পরিমাণ ডিউ থাকলে আমরা ফোন করি ক্লায়েন্টকে। কিন্তু ম্যালওয়ার পাওয়া গেলে বা স্প্যামিংয়ের ক্ষেত্রে ক্লায়েন্ট ফোন করে নোটিশ করতে পারি না। কমন কমিউনিকেশনের জন্য আমরা সবসময় মেইল করি বা সাপোর্ট টিকেট ওপেন করি। মোস্ট অব দ্যা হোস্টিং প্রোভাইডারস এটাই করে। কারণ যখন আপনার হিউজ ক্লায়েন্ট হয়ে যাবে তখন ফোন কমিউনিকেশন করে সবকিছু বুঝানো পসিবল না। ধরুন, আপনার একটা ফাইলে ম্যালওয়ার পাওয়া গিয়েছে। এটা আমি ফোন করে বোঝাতে পারব না সবসময়। কোথায় কিভাবে কি হচ্ছে এটা আমাদের মেইল বা টিকেট ওপেন করেই ডেসক্রাইব করতে হয়।

আমি: ইমেইল পড়ার পাশাপাশি ইমেইল করার অভ্যাসও কিন্তু আমাদের (ক্লায়েন্টদের) ভিতর নেই। যখন আমরা সমস্যায় পড়ি, তখন আমরা আপনাকে ফোন দিই। এই বিষয়টা আপনি কিভাবে দেখেন?

বিপুল ভাই: আমরা এই ক্ষেত্রে সবসময় আমাদের হেল্পডেক্সে টিকেট ওপেন করতে উৎসাহ দিই। আপনি-আমি সবাই ওয়েবে কাজ করি, এখন যদি আমরা মেইলে কমিউনিকেশন করার অভ্যাস না করতে পারি তাহলে ব্যাপারটা কিরকম হয়ে যায় না! আমার মনে হয় আমাদের একটু সচেতন হতে হবে। 

আমি: বিপুল ভাই, বাংলাদেশে তো অনেকগুলো হোস্টিং কোম্পানি আছে। তার ভিতর কিছু কিছু কোম্পানি এক বছরের জন্য এক জিবি হোস্টিং তিনশ-চারশ টাকায় বিক্রি করে। সেখানে আপনাদের প্রাইস হচ্ছে প্রায় এগারশ টাকার মত। আপনারা কি আসলে বেশি টাকা নিচ্ছেন? অথবা তাদের সাথে আপনাদের পার্থক্য কি?

বিপুল ভাই: এক জিবি হোস্টিং তিনশ-চারশ টাকায় দেয়া একেবারেই অসম্ভব, যদি সে আসলেই ব্যবসা করতে চায়। আমাদের প্রাইস এখন এগারশ টাকা হয়ত, তবে আমরা প্রাইস বাড়াব। তখন হয়ত এক জিবি হোস্টিংয়ের প্রাইস পনেরশ টাকার মত হবে। হোস্টিং প্রাইসিং যখন আমরা করি তখন সার্ভার কস্ট, সার্ভার ম্যানেজমেন্ট কস্ট, টেকনিকাল স্টাফ কস্ট, অফিস কস্ট সবকিছু ক্যালকুলেট করতে হয়। কিন্তু যে তিনশ টাকায় সেল করছে সে দেখবেন একা, ওয়ান ম্যান আর্মি। তার কোন স্টাফ নাই, অফিস কস্ট নাই। তাছাড়া সে হয়ত ওভারসেলিং এনাবলড রিসেলারশীপ নিয়ে বিজনেস করছে। দেখা যাবে ১০ জিবি রিসেলার হোস্টিং নিয়ে ১০০ জিবি সেল করছে। এজন্যই সে এত কম টাকায় দিতে পারছে। তাহলে বোঝেন সার্ভিস কোয়ালিটি কেমন হতে পারে!

আমি: যারা তিনশ-চারশ টাকায় হোস্টিং সেল করছে, তারা তো এক হিসেবে আপনাদের মার্কেট নষ্ট করছে। তো তাদের প্রতি আপনার আহ্বান কি?

বিপুল ভাই: আমার যেটা মনে হয়, তারা আমাদের মার্কেট নষ্ট করছে না একচুয়ালি। যারা তাদের সার্ভিস ইউজ করে তারা কিন্তু হ্যাপি থাকতে পারবে না। আল্টিমেটলি, একটা সময়ে এসে আমাদের মত প্রোভাইডারদের কাছ থেকেই সার্ভিস কিনবে। আমার আসলে অনুরোধ থাকবে, যারা তিনশ টাকায় এক জিবি হোস্টিং সেল করেন, তাদের প্রাইসিং নিয়ে, মার্কেট নিয়ে কাজ করা উচিত, রিসার্চ করা উচিত এবং মার্কেট রেশিও ঠিক রেখে প্রাইসিং করা উচিত এতে তারা ভাল সার্ভিস দিতে পারবে, কোয়ালিটি মেইনটেইন করতে পারবে।

আমি: যারা লোকাল মার্কেটে হোস্টিং বিজনেসে আসতে চাচ্ছেন তাদের প্রতি আপনার পরামর্শ কি?

বিপুল ভাই: তাদের প্রতি আমার পরামর্শ হচ্ছে, আগে পড়াশুনা করেন হোস্টিং নিয়ে, হোস্টিং ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে। তারপরে মার্কেটে আসেন।

আমি: আপনি যে পরামর্শ দিলেন বিপুল ভাই, আমার মনে হয় যারা নতুন তাদের এই পরামর্শগুলো কাজে লাগবে। আর আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ, আপনার এত ব্যস্ততার মাঝেও আমাকে সময় দেয়ার জন্য। আমি আশা করি, আমরা যারা বিদেশি কোম্পানির সার্ভিস ইউজ করি, তারা অচিরেই আপনাদের মত স্বনামধন্য দেশিয় কোম্পানিগুলোর সার্ভিস ব্যবহার করা শুরু করব।

বিপুল ভাই: আশা করি আপনারা সাথে থাকবেন। অনেক ধন্যবাদ, আপনার সময় দিয়ে, সময় নষ্ট করে আমাদের সাথে কথা বলার জন্য।

আগের পোস্ট পরের পোস্ট
মন্তব্য করুন
আপনি কি কমেন্ট গাইডলাইন পড়েছেন?

দয়া করে, বাংলায় গঠনমূলক মন্তব্য করুন এবং রোমান হরফে বাংলা লেখা থেকে বিরত থাকুন।